সেই দিন এই মাঠ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর  

১। পরের জায়গা পরের জমি

ঘর বানাইয়া আমি রই।

আমি তাে সেই ঘরের

মালিক নই।

ক. বেলা অবেলা কালবেলা’ কার লেখা?

খ. এশিরিয়া ধুলো আজ ব্যাবিলন ছাই হয়ে গেছে । কেন?

গ. সেদিনাে দেখিৰে স্বপ্ন— বাক্যটির সাথে ঘরের মালিক না হবার সম্পর্ক দেখাও। 

ঘ. জন্মিলে মরিতে হবে। কেন তবে এত আয়ােজন? উদ্দীপক এবং “সেইদিন এই মাঠ’ কবিতালােকে লেখ।

২। মুঘল সাম্রাজ্যের সম্রাট শাহজাহানের প্রভাব ও শৌর্যবীর্যের মহিমা ছিল সারা ভারতবর্ষ জুড়ে। তিনি স্ত্রী মমতাজকে ভালােবেসে তৈরি করেছিলেন তাজমহল । কালের বিবর্তনে সম্রাট শাহজাহান আর নেই। তার সাম্রাজ্যও নেই। কিন্তু কালের সাক্ষী হিসেবে এখনও টিকে আছে তার প্রেমের নিদর্শন তাজমহল। হয়তো একদিন বিখ্যাত ‘স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে যাবে।

ক. জীবনানন্দ দাশ কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

খ. খেয়া নৌকাগুলাে চরের কাছে লাগানাের বিষয়টি উল্লেখ করে কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?

গ. উদ্দীপকের সাথে সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার সম্পূর্ণ ভাব ফুটে ওঠেনি।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

৩। হে সুনীল নভঃ অনন্ত অপার!

কত কাল আছি, কত কাল রবে

অসীম বিস্তার!

আনে উষা হৃদে নব প্রভাকর,

ফুটায় সন্ধ্যায় কুসুম সুন্দর,

প্রশান্ত হৃদয়ে লয়ে আসে নিশি

নিশীথ রতন বিধূ সুকুমার। ক. সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায় কবি কোন ফুলের কথা বলেছেন?

খ. সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায় সৌন্দর্যের অমরত্বের দিকটি কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকটিতে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? চিহ্নিত কর। 

ঘ. “উদ্দীপকে বর্ণিত ভাব সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার সমধর্মী হলেও পুরােপুরি এক নয়।”- বিশ্লেষণ কর।

৪। চন্দ্র-সূর্য জ্বলে উঠবে

ফুল ফুটবে, সুবাস ছড়াবে,

নদীর বহমান স্রোতধারা ছুটে যাবে

সাগরের পানে, শুধু আমি

রইব না এই পৃথিবীর পরে ।

ক. জীবনানন্দ দাশ কত খ্রিষ্টাব্দে মারা যান?

খ.  ‘এই নদী নক্ষত্রের তলে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপকে মেইদিন এ মাঠ’ কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “উর্দীপকটি ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার ভাবাখের দর্পণ।” মন্তব্যটির মুণ্ড্যতা যাচাই কর ।

৫। কোথাও চলিয়া যাব একদিন, তারপর রাত্রির আকাশ অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে ঘুরে যাবে কতকাল জানিব না আমি জানি না কতকাল উঠানে ঝরিবে এই হলুদ বাদামী পাতাগুলাে মাদারের-ডুমুরের-সোঁদাগন্ধ- বাংলার শ্বাস বুকে নিয়ে তাহাদের জানিব না পরথুপী মধুকূপী ঘসি কতকাল প্রান্তরে ছড়ায়ে রবে।

ক. লক্ষ্মীপেঁচা কার জন্যে গান গাইবে?

খ. ‘সােনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে। ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায় যে ভাবের প্রতিফলন আছে তা বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকটি ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার সমগ্ৰ ভাবকে প্রতিনিধিত্ব করে কি? তােমার মতামতের পক্ষে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দাও।

৬। আমি চলে যাব একদিন

তাই বলে কি সকাল হবে না?

মাঠে সবুজ ধানগুলাে

বাতাসে ঢেউ খেলবে না?

শিশিরে ভিজবে না সবুজ ঘাসগুলাে,

ভােরের আলােতে বিন্দু বিন্দু শিশিরগুলােকে

মনে হবে না মুক্তোর মতাে?

ক. সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার কবি কে?

খ. ‘সােনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!’- ব্যাখ্যা কর।

গ. সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার কোন দিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত? ব্যাখ্যা কর। 

ঘ. উদ্দীপক ও ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার মূলভাব একই ধারায় উৎসারিতবক্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

৭। পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়। চিরস্থায়ী নয় মানুষের গড়া সভ্যতাও কি অনন্তকালব্যাপী প্রকৃতিতে প্রবাহিত নিরন্তন ব্যস্ততা। প্রকৃতপক্ষে মানুষের অন্তু, আছে, কিন্তু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মৃত্যু নেই।

ক. জীবনানন্দ দাশকে কোন জীবন চেতনার কবি বলা হয়?

খ. এশিরিয়া ধুলাে আজ– বেবিলন ছাই হয়ে আছে’- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার প্রতিফলিত দিকটির আলােচনা কর।

ঘ. উদ্দীপকটি ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে পারেনি বিশ্লেষণ কর।

৮। ইতিহাসের সােনালি পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায় আজকের রংপুর জিলা স্কুল ১৮৩২ সালে জমিদার স্কুল’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। কোচবিহারের মহারাজার দেওয়া একটি বড় দোতলা ভবনে এর যাত্রা শুরু হয়। স্কুলটি প্রতিষ্ঠায় তালীন জমি, পরিবার ও কালেক্টর ন্যাথ্যানিয়াল স্মিথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বলে উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক এটির উদ্বোধন করেন। ১৮৬২ সালে স্কুলটির নাম পরিবর্ত করে রংপুর জিলা স্কুল’ রাখা হয়। স্কুলটির প্রথম প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণনাথ রায় থেকে শুরু করে বর্তমান প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যক্তিবর্গসহ আরও অনেকে এখানে কর্মরত ছিলেন। উর আজ কেউই নেই। কিন্তু আজও এখানে প্রকৃতির নিয়মে সব চলছে।

ক. সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায় কোন ফুলের কথা বলা হয়েছে?

খ. এশিরিয়া ধুলাে আজ- বেবিলন ছাই হয়ে আছে’- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের মূলভাবের সঙ্গে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার ভাবের সাদশ্য ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “অবিনশ্বর প্রকৃতির মাঝে অসহায় নশ্বর মানুষ” উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

৯। মৃত্যুকে সব জাতি-ধর্ম-গােত্রই এক শব্দে মেনে নেয়। তবুও এই পৃথিবীর সৌন্দর্য, মায়া মােহ ছেড়ে মানুষ যেতে চায় না। মানুষ অমরত্ব হয়, কিছু । অসম্ভব, আর সেজন্যই মানুষ তার কৃতকর্ম এবং অমর সৃষ্টির মাধ্যমে মুতুর পরও বেঁচে থাকার স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। যেমন- আগ্রার তাজমহল বাঁচিয়ে রেখেছে সম্রাট শাহজাহানকে, বিখ্যাত ‘মােনালিসা চিত্রকর্মটি লিওনার্দো দা ভিজিকে। আবার কেউ স্বপ্ন দেখে ভালােবেসে ফিরে আসার। জীবন কখনাে কি নিঃশেষিত হয়? পৃথিবী যদি সেই অমর সৃষ্টিকে কখনাে ভুলেও যায় তবুও মানুষ স্বপ্নে বাধে মৃত্যুর পরও পরিচিতদের মাঝে ফিরে আসার বুদবুদ।

ক. শিশিরের জলে কী ভিজবে না?

খ. লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে না কি তার লক্ষ্মীটির তরে? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপক ও ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার মধ্যে বিচ্ছিন্ন মিগুলাে বিশ্লেষণ কর।

ঘ. অমর কীর্তির অম্লানতা কিংবা অমরত্বে মানুষ পুরােপুরি আশ্বস্ত নয়। তাই ফিরে আসতে চায় সে আবার উদ্দীপক ও সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার আলােকে ব্যাখ্যা কর।

১০। বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ

খুঁজিতে যাই না আর, অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে

চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড় পাতাটির নিচে বসে আছে

ভােরের দোয়েল পাখি– চারদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের ভূপ

জাম-বট-কাঁঠালের-হিজলের-অশ্বথের করে আছে চুপ;

ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;

মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাদ চম্পর কাছে।

এমনই হিজল-বট-তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ।”

ক. কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীবনানন্দ এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন?

খ. আমি চলে যাব বলে চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।

ঘ. “সেইদিন এই মাঠ’ কবিতা এবং উদ্দীপকে প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রকাশই প্রাধান্য পেয়েছে।”- উক্তিটি বিচার কর।

১১। পৃথিবীর সৃষ্টির পর যখন থেকে মানুষের পদচারণা পৃথিবীতে সূচিত হলাে, তার পরেই শুরু হলাে সভ্যতার। মানুষ মূলত যখন থেকে সভ্য হওয়ার প্রেরণা লাভ করতে শুরু করল, তখন থেকেই সভ্যতার সূত্রপাত ঘটে। প্রাগৈতিহাসিক যুগেই সভ্যতা গড়ে ওঠে। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত অনেক অনেক সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। সেসব সভ্যতা আবার হারিয়ে গেছে পৃথিবীর বুক থেকে। যেমন- মিসরীয় সভ্যতা, সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, এশিরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা, মায়া সভ্যতা, গ্রিক সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, রােমান সভ্যতা ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য। আজ আমরা যে আধুনিক সভ্যতায় বাস করছি এ সভ্যতাও হয়তাে একদিন শেষ হয়ে যাবে। ঠাই পাবে ইতিহাসের পাতায়।

ক. অতীত সভ্যতাগুলাের বর্তমান দশা কী?

খ. এশিরিয়া ধুলাে আজ- বেবিলন ছাই হয়ে আছে। কথাটি বুঝিয়ে দাও! 

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে “সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার কোন ভাবের সাদৃশ্য রয়েছে?

ঘ. “সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার মূল তাৎপর্য উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।” উক্তিটি বিচার কর।        

Leave a Comment