কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১। উপন্যাসের আখ্যানভাগ কী?

উত্তর : উপন্যাসের আখ্যানভাগ হচ্ছে- Plot বা কাহিনি-সমগ্র।

প্রশ্ন ২। কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের মিঠুর ভাইয়ের নাম কী?

উত্তর : কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের মিঠুর ভাইয়ের নাম মধু।

প্রশ্ন ৩। বুধা দুঃখকে কী ভাবে?

উত্তর : বুধা দুঃখকে হিংস্র শকুন ভাবে।

প্রশ্ন ৪। শাহাবুদ্দিন কার ছবি আঁকবে?

উত্তর : শাহাবুদ্দিন বুধার সাহসী ও হাস্যোজ্জ্বল ছবি আঁকবে।

প্রশ্ন ৫। কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে বর্ণিত মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার কে?

উত্তর : কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে বর্ণিত মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার হলেন শাহাবুদ্দিন।

প্রশ্ন ৬। মতিউর কী কারণে ফজু মিয়াকে বকাবকি করেছিল?

উত্তর : মতিউর বুধাকে কাজে নেওয়ার জন্য ফজু মিয়াকে বকাবকি করেছিল।

প্রশ্ন ৭। শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান কে ছিল? 

উত্তর : শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিল আহাদ মুন্সি।

প্রশ্ন ৮। তিনুর বয়স কত?

উত্তর : তিনুর বয়স দেড় বছর।

প্রশ্ন ৯। বাঙ্কারের তদারকি করছিল কে? 

উত্তর : বাঙ্কারের তদারকি করছিল মতিউর।

প্রশ্ন ১০। ‘মেশিনগান বল, আমার নাম মেশিনগান-বুধা কাকে এ কথা বলেছে?

উত্তর : মেশিনগান বল, আমার নাম মেশিনগান’- বুধা রাজাকার কুদুসকে এ কথা বলেছে।

প্রশ্ন ১১। শামুকের খােলটা কিসের মতাে লাগে বুধার? 

উত্তর : শামুকের খােলটা বুধার কাছে টুপির মতাে লাগে।

প্রশ্ন ১২। মিলিটারি কীভাবে গায়ে প্রবেশ করে?

উত্তর : মিলিটারি জিপে করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে গায়ে প্রবেশ করে।

প্রশ্ন ১৩। কুদুস বুধার কাছে মিঠুর খোজ জানতে চাইলে সে কী বলে?

উত্তর : কুদুস বুধার কাছে মিঠুর খোজ জানতে চাইলে সে বলেনদীর তলে খুঁজে দেখ।

প্রশ্ন ১৪। বুধা ঘুমের মধ্যে কিসের স্বপ্ন দেখে?

উত্তর : বুধা ঘুমের মধ্যে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে।

প্রশ্ন ১৫। কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে ছবি আঁকার মানুষ কে?

উত্তর : কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে ছবি আঁকার মানুষ, হলেন মুক্তিযােদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন।

প্রশ্ন ১৬। বুধার মতে তিনজন এক হলে কী হয়?

উত্তর : বুধার মতে তিনজন এক হলে শক্তি বাড়ে ও লড়াইয়ে শত্রুরা হারে।

প্রশ্ন ১৭। বুধার দৃষ্টিতে লােহার টুপি পরা মানুষেরা কী করে?

উত্তর : বুধার দৃষ্টিতে লােহার টুপি পরা মানুষেরা গুলি করে মানুষ হত্যা করে।

প্রশ্ন ১৮। বুধা রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে আগুন ধরিয়েছিল।কেন?

উত্তর : বুধা রাজাকার কমান্ডাদের বাড়িতে আগুন ধরিয়েছিল প্রতিশােধ নেওয়ার জন্য।’

প্রশ্ন ১৯।  শাহাবুদ্দিন বুধার কী ধরনের ছবি আঁকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?

উত্তর : শাহাবুদ্দিন বুধার যুদ্ধরত নানা ভঙ্গির ছবি আঁকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

প্রশ্ন ২০। বুধা হাবিব ভাইয়ের কাছে কী জানতে চেয়েছিল?

উত্তর : বুধা হাবিব ভাইয়ের কাছে গণকবরের অর্থ জানতে চেয়েছিল।

প্রশ্ন ২১। কোন ধরনের মানুষকে বুধার মানুষ মনে হয় না?

উত্তর : যার দৃষ্টিতে ভাষা থাকে না, সেরকম দৃষ্টিহীন মানুষকে বুধার মানুষই মনে হয় না।

প্রশ্ন ২২। আহাদ মুন্সির চোখ কপালে ওঠে কেন? 

উত্তর : বুধা নিজের নাম যুদ্ধ বলায় আহাদ মুন্সির চোখ কপালে ওঠে।

প্রশ্ন ২৩। চাচি বুধাকে কিসের স্বপ্ন দিয়েছেন? 

উত্তর : চাচি বুধাকে স্বাধীন মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দিয়েছেন।

প্রশ্ন ২৪। গাঁয়ের লােকেরা বুধাকে কাকতাড়ুয়া ডাকে কেন?

উত্তর : সারাক্ষণ কাকতাড়ুয়া সেজে থাকে বলে গাঁয়ের লােকেরা বুধাকে কাকতাড়ুয়া নামে ডাকে।

প্রশ্ন ২৫। উপন্যাসের আঙ্গিক ও গঠনকৌশলের দিক কোনটি?

উত্তর : উপন্যাসের কাহিনি কীভাবে গড়ে তােলা হবে সেটাই হচ্ছে উপন্যাসের আঙ্গিক ও গঠনকৌশলের দিক।

প্রশ্ন ২৬। বুধা কার বাড়িতে বসে সাতই মার্চের ভাষণ শুনেছিল?

উত্তর : বুধা কানু দয়ালের বাড়িতে বসে সাতই মার্চের ভাষণ শুনেছিল।

প্রশ্ন ২৭। বুধা প্রায়ই কী সাজত?

উত্তর : বুধা প্রায়ই কাকতাড়ুয়া সাজত।

প্রশ্ন ২৮। বুধা আলির কাছ থেকে কেরােসিন এনেছিল কেন?

উত্তর : রাজাকার আহাদ মুন্সির ঘরে আগুন দেওয়ার জন্য মশাল বানাতে বুধা আলির কাছ থেকে কেরােসিন এনেছিল ।

প্রশ্ন ২৯। শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে বুধা কিসের শব্দ শােনার জন্য বসে থাকে?

উত্তর : শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে বুধা মাইন বিস্ফোরণের শব্দ শােনার জন্য বসে থাকে।

প্রশ্ন ৩০। বিনু হাসলে কী মনে হতাে?

উত্তর : বিনু হাসলে মনে হতাে বিলের জলে ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন ৩১। বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক কে?

উত্তর : বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

প্রশ্ন ৩২। শহাবুদ্দিনের দৃষ্টিতে বুধা বুকের ভেতর কী ধরে রেখেছে?

অথবা, বুধা বুকের ভেতর কী ধরে রেখেছে?

উত্তর : শাহাবুদ্দিনের দৃষ্টিতে বুধা বুকের ভেতর মুক্তিযুদ্ধ ধরে রেখেছে।

প্রশ্ন ৩৩। আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক কে?

উত্তর : আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

প্রশ্ন ৩৪। কার নির্দেশনায় বুধা মিলিটারি ক্যাম্পে মাইন পুঁতে এসেছিল?

উত্তর : শাহাবুদ্দিনের নির্দেশে বুধা মিলিটারি ক্যাম্পে মাইন পুঁতে এসেছিল।

প্রশ্ন ৩৫। ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি কার লেখা?

উত্তর : ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি সেলিনা হােসেনের লেখা।

প্রশ্ন ৩৬। গাঁয়ের লােকেরা বুধার নাম কী রেখেছে?

উত্তর : গাঁয়ের লােকেরা বুধার নাম রেখেছে- কাকতাড়ুয়া।

প্রশ্ন ৩৭। চাচির মুখে কোন শব্দটি শুনে বুধা হোঁচট খায়?

উত্তর : চাচির মুখে ‘মুক্তি’ শব্দটি শুনে বুধা হোঁচট খায়।

প্রশ্ন ৩৮। বুধার ছােট বােনের বয়স কত ছিল? 

উত্তর : বুধার ছােট বােনের বয়স ছিল দেড় বছর।

প্রশ্ন ৩৯। কে রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে আগুন দিয়েছিল? 

উত্তর : বুধা রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে আগুন দিয়েছিল।

প্রশ্ন ৪০। ‘জননী’ উপন্যাসটি কার লেখা?

উত্তর : ‘জননী’ উপন্যাসটি শওকত ওসমানের লেখা।

প্রশ্ন ৪১। অপূর্ব চোখ ছিল কার?

উত্তর : বিনুর অপূর্ব চোখ ছিল।

প্রশ্ন ৪২। গেরস্তের উঠোনে কী আছে?

উত্তর : গেরস্তের উঠোনে খড়ের গাদা আছে।

প্রশ্ন ৪৩। ফুলকলি বুধাকে কী নামে ডাকতে চায়?

উত্তর : ফুলকলি বুধাকে ‘যুদ্ধ’ নামে ডাকতে চায়।

প্রশ্ন ৪৪। বুধা কয়টি মশাল বানিয়েছিল?

উত্তর : বুধা চারটি মশাল বানিয়েছিল।

প্রশ্ন ৪৫। নিজের নিয়মে বড় হয়েছে কে?

উত্তর : নিজের নিয়মে বড় হয়েছে বুধা।

প্রশ্ন ৪৬। ‘মেশিনগান বল, আমার নাম মেশিনগান’- বুধা কাকে এ কথা বলেছে?

উত্তর : “মেশিনগান বল, আমার নাম মেশিনগান’- বুধা রাজাকার কুদুসকে এ কথা বলেছে।

প্রশ্ন ৪৭। গ্রাম থেকে কয় দিনের মাথায় কলেরা চলে যায়?

উত্তর : গ্রাম থেকে সাত দিনের মাথায় কলেরা চলে যায়।

প্রশ্ন ৪৮। বড় জামগাছটার নিচে কার সঙ্গে বুধার দেখা হয়?

উত্তর : বড় জামগাছটার নিচে হরিকাকুর সঙ্গে বুধার দেখা হয়।

প্রশ্ন ৪৯। আহাদ মুন্সির সাথে কয়জন রাজাকার ছিল?

উত্তর : আহাদ মুন্সির সঙ্গে দুই জন রাজাকার ছিল।

প্রশ্ন ৫০। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে আর্ট কলেজের ছাত্রটি কে?

উত্তর : ‘কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের আর্ট কলেজের ছাত্রটি শাহাবুদ্দিন।

প্রশ্ন ৫১। আহাদ মুন্সির ছেলের নাম কী?

উত্তর : আহাদ মুন্সির ছেলের নাম মতিউর।

প্রশ্ন ৫২। বুধা কীভাবে গান শিখেছে?

উত্তর : বুধা আখড়ার গান শুনে গান শিখেছে।

প্রশ্ন ৫৩। বুধাকে কে ‘মানিকরতন’ নামে ডাকে?

উত্তর : হরিকাকু বুধাকে মানিকরতন নামে ডাকে।

প্রশ্ন ৫৪। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসের নাম কী?

উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসের নাম “দুর্গেশনন্দিনী’।

প্রশ্ন ৫৫। কারা পাখির মতাে মানুষ মারে?

উত্তর : পাকিস্তানি সেনারা পাখির মতাে মানুষ মারে।

প্রশ্ন ৫৬। নােলক বুয়া বুধাকে কী নামে ডাকত?

উত্তর : নােলক বুয়া বুধাকে ছন্নছাড়া’ নামে ডাকত।

প্রশ্ন ৫৭। বুধার মা-বাবার কবর কে পরিষ্কার করে?

উত্তর : বুধার মা-বাবার কবর পরিষ্কার করে কুন্তি।

প্রশ্ন ৫৮। নােলক বুয়া বুধাকে কী খেতে দেয়?

উত্তর : মােলক বুয়া বুধাকে মুড়ি খেতে দেয়।

প্রশ্ন ৫৯। উপন্যাসের প্রধান উপাদান কী?

উত্তর : উপন্যাসের প্রধান উপাদান এর কাহিনি বা গল্প।

প্রশ্ন ৬০। বুধার চাচাত ভাই-বােন কতজন?

উত্তর : বুধার চাচাত ভাই-বােন আটজন।

প্রশ্ন ৬১। বুধার চাচি বুধার কাছে কী চায়? 

উত্তর : বুধার চাচি বুধার কাছে মুক্তি চায়।

প্রশ্ন ৬২। বুধার মা-বাবা কীভাবে মারা যায়?

উত্তর : বুধার মা-বাবা কলেরায় মারা যায়।

প্রশ্ন ৬৩। ঐ বাড়িতে কিছু ঘটলে আমি তােকে জানিয়ে দিব’ – একথা কে বলেছে?

উত্তর : “ঐ বাড়িতে কিছু ঘটলে আমি তােকে জানিয়ে দিব”একথাটি বলেছিল বুধা।

প্রশ্ন ৬৪। কার হম্বিতম্বিতে লােক জড়ো হয়?

উত্তর : মতিউরের হম্বিতম্বিতে লােক জড়াে হয়।

প্রশ্ন ৬৫। বুধার ছিটানাে ভাতগুলাে কারা খায়? 

উত্তর : বুধার ছিটানাে ভাতগুলাে কাকেরা খায়।

প্রশ্ন ৬৬। বুধা ফুলকলিকে নিয়ে কোথায় ওঠে?

উত্তর : বুধা ফুলকলিকে নিয়ে আতা ফুপুর বাড়িতে।এসে ওঠে।

প্রশ্ন ৬৭। বুধাকে কে এক পাশে টেনে ফিসফিসিয়ে বলে আল্লাহ মাফ করুক’?

উত্তর : বুধাকে ফজু মিয়া এক পাশে টেনে ফিসফিসিয়ে বলে, আল্লাহ মাফ করুক।’

প্রশ্ন ৬৮। বুধা মগজের ভিতরে কী শুনতে পায়?

উত্তর : বুধা মগজের ভেতরে শকুনের পাখা ঝাপটানি শুনতে পায়।

প্রশ্ন ৬৯। কে বুধাকে জয় বাংলা নাম দেয়?

উত্তর : আলি বুধাকে ‘জয় বাংলা নাম দেয়।

প্রশ্ন ৭০। কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে একটা ভিতুর ডিম’ কে?

উত্তর : ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে বুধার মতে একটা ভিতুর ডিম হচ্ছে- রানি।

প্রশ্ন ৭১। বুধাকে কোথায় যাচ্ছিস’ জিজ্ঞেস করা হলে সে কী উত্তর দেয়?

উত্তর : বুধাকে কোথায় যাচ্ছিস জিজ্ঞেস করা হলে সে উত্তর দেয় যে সে সােনার ঘরে যাচ্ছে।’

প্রশ্ন ৭২। বুধার কয় ভাই-বােন কলেরায় মারা যায়?

উত্তর : বুধার চার ভাই-বােন কলেরায় মারা যায়।

প্রশ্ন ৭৩। বুধাকে ‘ছন্নছাড়া ডাকে কে?

উত্তর : বুধাকে ‘ছন্নছাড়া’ ডাকে মােলক বুয়া।

প্রশ্ন ৭৪। বুধা তার চাচির বাড়িতে গেলে কার চোখ ছলছল করত?

উত্তর : বুধা তার চাচির বাড়িতে গেলে কুন্তির চোখ ছলছল করত।

প্রশ্ন ৭৫। মিলিটারি কীভাবে পায়ে প্রবেশ করে?

উত্তর : মিলিটারি গুলি ছুড়তে ছুড়তে গ্রামে প্রবেশ করে।

প্রশ্ন ৭৬। এইসব প্রজাপতি তাের জন্য’- উক্তিটি কে করেছিল?

উত্তর : “এই সব প্রজাপতি তাের জন্য’- উক্তিটি করেছিল ফুলকলি।

প্রশ্ন ৭৭। তাের মনে কি খুব আনন্দ’- উক্তিটি কার?

উত্তর : ‘তাের মনে কি খুব আনন্দ’- উক্তিটি রাজাকার কুদুসের।

প্রশ্ন ৭৮ শিলু আর তালেব কে? 

উত্তর : শিলু আর তালেব বুধার ছােট ভাই-বােন।

প্রশ্ন ৭৯। পরদিন কার বাড়িতে আগুন লাগে?

উত্তর : পরদিন গায়ের রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে আগুন লাগে।

প্রশ্ন ৮০। সেলিনা হােসেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : সেলিনা হােসেন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন ৮১। সেলিনা হােসেন কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : সেলিনা হােসেন ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন ৮২। সেলিনা হােসেন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন?

উত্তর : সেলিনা হােসেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন।

প্রশ্ন ৮৩। সেলিনা হােসেন ছােটদের জন্য কতটি উপন্যাস লিখেছেন?

উত্তর : সেলিনা হােসেন ছােটদের জন্য পঁচিশটি উপন্যাস লিখেছেন।

প্রশ্ন ৮৪। সেলিনা হােসেনকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ডি.লিট উপাধি দেয়?

উত্তর : সেলিনা হােসেনকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ডি.লিট উপাধি দেয়।

প্রশ্ন ৮৫। কত সালে সেলিনা হােসেন ডি.লিট উপাধি লাভ করেন?

উত্তর : ২০১০ সালে সেলিনা হােসেন ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।

প্রশ্ন ৮৬। বুধা মনের আনন্দে দুপায়ে কী মাখে?

উত্তর : বুধা মনের আনন্দে দুপায়ে পথের ধুলাে মাখে।

প্রশ্ন ৮৭। কাকতাড়ুয়া উপন্যাসে উল্লিখিত কোন ঘরের দরজা নেই?

উত্তর : পেঁকিঘরের দরজা নেই।

প্রশ্ন ৮৮। রাত নিয়ে কার কোনাে ঝামেলা নেই?

উত্তর : রাত নিয়ে বুধার কোনাে ঝামেলা নেই।

প্রশ্ন ৮৯। কী নিয়ে বুধার মন খারাপ নেই?

উত্তর : খাবার নিয়ে বুধার মন খারাপ নেই।

প্রশ্ন ৯০। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে উল্লিখিত কার বােকামির সীমা নেই?

উত্তর : মানুষের বােকামির সীমা নেই।

প্রশ্ন ৯১। কে চোখের সামনে বাবা-মা, ভাই-বােনদের মরতে দেখেছে?

উত্তর : বুধা চোখের সামনে বাবা-মা, ভাই-বােনদের মরতে দেখেছে?

প্রশ্ন ৯২। কার চোখের মণি মােচড়াতে মােচড়াতে স্থির হয়ে যায়?

উত্তর : বুধার বাবার চোখের মণি মােচড়াতে মােচড়াতে স্থির হয়ে যায়।

প্রশ্ন ৯৩। বুধার পায়ের নিচ থেকে কী হতে শুরু করে?

উত্তর : বুধার পায়ের নিচ থেকে শক্ত হতে শুরু করে।

প্রশ্ন ৯৪।  পাথরের চোখ মেলে মৃত্যু দেখে কে?

উত্তর : পাথরের চোখ মেলে মৃত্যু দেখে বুধা।

প্রশ্ন ৯৫। বুধা কী ধরনের বালক?

উত্তর : বুধা সাহসী বালক।

প্রশ্ন ৯৬। বুধার কানের পাশ দিয়ে কী উড়ে যায়?

উত্তর : বুধার কানের পাশ দিয়ে বােলতা উড়ে যায় ।

প্রশ্ন ৯৭। “কামাই করতে পারিস না বাপু?”- কে বলেছে?

উত্তর : বুধার চাচি বলেছে।

প্রশ্ন ৯৮। কে নিজের বােঝা নিজে বইবে?

উত্তর : বুধা নিজের বােঝা নিজে বইবে।

প্রশ্ন ৯৯। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে উল্লিখিত কে নিজেকে আবিষ্কার করে?

উত্তর : বুধা নিজেকে আবিষ্কার করে।

প্রশ্ন ১০০। কার বাড়িতে গেলে বুধার বুক ভার হয়ে যেত?

উত্তর : চাচির বাড়িতে গেলে বুধার বুক ভার হয়ে যেত।

প্রশ্ন ১০১। কে সম্পর্কের অধিকার নিয়ে বুধার সামনে দাড়িয়েছিল?

উত্তর : কুন্তি সম্পর্কের অধিকার নিয়ে বুধার সামনে দাঁড়িয়েছিল।

প্রশ্ন ১০২। কুন্তি কার হাত ধরে না যাওয়ার অনুরােধ করে?

উত্তর : কুন্তি বুধার হাত ধরে না যাওয়ার অনুরােধ করে।

প্রশ্ন ১০৩। কার কণ্ঠস্বর এক মুহূর্তে বদলে যায়?

উত্তর : কুন্তির কণ্ঠস্বর এক মুহূর্তে বদলে যায়।

প্রশ্ন ১০৪। কে একদিন ভীষণ ভালােভাবে আসবে?

উত্তর : বুধা একদিন ভীষণ ভালােভাবে আসবে।

প্রশ্ন ১০৫। খুশিতে কার চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে?

উত্তর : খুশিতে কুন্তির চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

প্রশ্ন ১০৬। কে বুধাকে লজ্জা দিতে চায় না?

উত্তর : চাচি বুধাকে লজ্জা দিতে চায় না।

প্রশ্ন ১০৭। বুধা কাকে লাল টুকটুকে বর আসার কথা বলেছিল?

উত্তর : কুন্তিকে লাল টুকটুকে বর আসার কথা বলেছিল।

প্রশ্ন ১০৮।।’কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে উল্লিখিত কে পথের ছেলে?

উত্তর : বুধা পথের ছেলে।

প্রশ্ন ১০৯। বুধা কোন ভঙ্গিতে দাড়িয়ে থেকে মানুষের আদর পেতে চায়?

উত্তর : কাকতাড়ুয়ার ভঙ্গিতে।

প্রশ্ন ১১০। গায়ের কয়েকজন মানুষ কিসের মতাে?

উত্তর : গাঁয়ের কয়েকজন মানুষ শকুনের মতাে।

প্রশ্ন ১১১। পুলিশ দেখে কার ভয় লাগে না?

উত্তর : পুলিশ দেখে বুধার ভয় লাগে না।

প্রশ্ন ১১২। বুধা মাটির হাঁড়িতে করে কোথা থেকে পানি আনে?

উত্তর : বুধা মাটির হাঁড়িতে করে ডােবা থেকে পানি আনে।

প্রশ্ন ১১৩। কোন দিকে তাকালে বুধার চোখ লাল হয়?

উত্তর : আধা-পােড়া বাজারের দিকে তাকালে বুধার চোখ লাল হয়।

প্রশ্ন ১১৪। পাকিস্তানি সেনারা কোথা থেকে ঝপঝপিয়ে নামে?

উত্তর : পাকিস্তানি সেনারা জিপ থেকে ঝপঝপিয়ে নামে।

প্রশ্ন ১১৫। কার চোখ বুজে গেছে?

উত্তর : বিনুর চোখ বুজে গেছে।

প্রশ্ন ১১৬। বুধার মতে যে পালায়, সে কী?

উত্তর : বুধার মতে যে পালায়, সে ভিতু।

প্রশ্ন ১১৭। কে বুধাকে দেখে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে?

উত্তর : হরিকাকুর বউ বুধাকে দেখে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে।

প্রশ্ন ১১৮। চাচা কাজ খুঁজতে কোথায় গেছে?

উত্তর : চাচা কাজ খুঁজতে শহরে গেছে।

প্রশ্ন ১১৯। ইন্ডিয়া কোথায় তা কার জানার দরকার নেই?

উত্তর : ইন্ডিয়া কোথায় তা বুধার জানার দরকার নেই।

প্রশ্ন ১২০। গাঁয়ের মানুষ কাদের কথা ভালােভাবে বুঝতে পারে না?

উত্তর : গাঁয়ের মানুষ মিলিটারির কথা ভালােভাবে বুঝতে পারে না।

প্রশ্ন ১২১। সালাম চাচা কিসের আঘাতে মারা গেছে?

উত্তর : সালাম চাচা বুলেটের আঘাতে মারা গেছে।

প্রশ্ন ১২২। কারা কিয়ামত ঘটিয়ে চলে যায়?

উত্তর : মিলিটারি কিয়ামত ঘটিয়ে চলে যায়।

প্রশ্ন ১২৩। হাবিব ভাই কী ভাবতে পারেনি?

উত্তর : গায়ে গণকবর হবে হাবিব ভাই তা ভাবতে পারেনি।

প্রশ্ন ১২৪। চোখ লাল হলে বুধার কী হয়?

উত্তর : চোখ লাল হলে বুধার কিছু একটা করার প্রতিজ্ঞা হয় ।

প্রশ্ন ১২৫। কোন রােগ বুধাকে খেতে পারেনি?

উত্তর : কলেরা রােগ বুধাকে খেতে পারেনি।

প্রশ্ন ১২৬। মিলিটারির বিরুদ্ধে লড়ার কথা কে বলেছিলেন?

উত্তর : মিলিটারির বিরুদ্ধে লড়ার কথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন।

প্রশ্ন ১২৭। এদেশের ক্ষতি করে কাদের ভীষণ ফুর্তি?

উত্তর : পাকিস্তানি সেনাদের ভীষণ ফুর্তি।

প্রশ্ন ১২৮। লাশ খেতে কী উড়ে আসে?

উত্তর : লাশ খেতে শকুন উড়ে আসে।

প্রশ্ন ১২৯। বুধাকে কে বেশি তাড়ায়?

উত্তর : বুধাকে রাত বেশি তাড়ায়।

প্রশ্ন ১৩০। শত্রুদের না তাড়িয়ে কে চায়ের দোকান বানাবে না?

উত্তর : শত্রুদের না তাড়িয়ে আলি চায়ের দোকান বানাবে না।

প্রশ্ন ১৩১। বুধা কাকে বলেছিল আমার নাম যুদ্ধ?

উত্তর : বুধা আহাদ মুন্সিকে বলেছিল আমার নাম যুদ্ধ।

প্রশ্ন ১৩২। উপন্যাসের দ্বিতীয় উপাদান কোনটি?

উত্তর : উপন্যাসের দ্বিতীয় উপাদান হলাে চরিত্র।

প্রশ্ন ১৩৩। কী না করলে গ্রামটা একদিন ভূতের বাড়ি হবে?

উত্তর : লড়াই না করলে গ্রামটা একদিন ভূতের বাড়ি হবে।

প্রশ্ন ১৩৪। কোন দুজনকে বুধার কাছে এক রকম লাগে?

উত্তর : আলি আর মিঠুকে বুধার কাছে এক রকম লাগে।

প্রশ্ন ১৩৫। আলি আর মিঠু কাকে বুঝতে পারে?

উত্তর : আলি আর মিঠু বুধাকে বুঝতে পারে ।

প্রশ্ন ১৩৬। কখন লড়াইয়ে শত্রুরা হারে?

উত্তর : এক হলে লড়াইয়ে শত্রুরা হারে। •

প্রশ্ন ১৩৭। কড়ই গাছের নিচে বাঁশের মাচায় রাতে কে শুয়ে থাকে?

উত্তর : কড়ই গাছের নিচে বাঁশের মাচায় রাতে বুধা শুয়ে থাকে।

প্রশ্ন ১৩৮। বুধাকে দেখে কাদের সাহস বেড়ে গেছে?

উত্তর : বুধাকে দেখে আলি আর মিঠুর সাহস বেড়ে গেছে।

প্রশ্ন ১৩৯। কে বুধার কান ধরে টেনে ঘুম থেকে তােলে?

উত্তর : মতিউর বুধার কান ধরে টেনে ঘুম থেকে তােলে।

প্রশ্ন ১৪০। কে বুধাকে পেলে চিবিয়ে খাবে?

উত্তর : মতিউর বুধাকে পেলে চিবিয়ে খাবে।

প্রশ্ন ১৪১। বুধা কাকে দুটো জিলিপি দিল?

উত্তর : বুধা ফুলকলিকে দুটো জিলিপি দিল।

প্রশ্ন ১৪২। কী লাগিয়ে দিলে জ্বালাপােড়া কমবে?

উত্তর : মলম লাগিয়ে দিলে জ্বালাপােড়া কমবে।

প্রশ্ন ১৪৩। রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে কিছু ঘটলে বুধাকে কে জানাবে?

উত্তর : রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে কিছু ঘটলে বুধাকে ফুলকলি জানাবে।

প্রশ্ন ১৪৪। ফুলকলি আর বুধাকে আতা ফুপু কী খেতে দেয়?

উত্তর : ফুলকলি আর বুধাকে আতা ফুপু পান্তা ভাত খেতে দেয়।

প্রশ্ন ১৪৫। কে রাইফেলের শব্দ চিনে গেছে?

উত্তর : বুধা রাইফেলের শব্দ চিনে গেছে।

প্রশ্ন ১৪৬। কাকতাড়ুয়াকে কিসের মতাে লাগে?

উত্তর : কাকতাড়ুয়াকে মানুষের মতাে লাগে।

প্রশ্ন ১৪৭। কে কচুরিপানাভরা পুকুরে লাফিয়ে পড়ে?

উত্তর : বুধা কচুরিপানাভরা পুকুরে লাফিয়ে পড়ে।

প্রশ্ন ১৪৮। ঘুমের ভেতর কে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে?

উত্তর : ঘুমের ভেতর বুধা স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে।

প্রশ্ন ১৪৯। পুরাে শরীরে প্রজাপতি কিসের মতাে সেঁটে আছে?

উত্তর : পুরাে শরীরে প্রজাপতি জামার মত সেঁটে আছে।

প্রশ্ন ১৫০। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে ছবি আঁকার মানুষ কে?

উত্তর : ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে ছবি আঁকার মানুষ শাহাবুদ্দিন।

প্রশ্ন ১৫১। বুধা কাকে স্যালুট করে?

উত্তর : বুধা শাহাবুদ্দিনকে স্যালুট করে।

প্রশ্ন ১৫২। কে বুধীকে ‘বাহাদুর ছেলে’ বলে?

উত্তর : শাহাবুদ্দিন বুধাকে বাহাদুর ছেলে বলে।

প্রশ্ন ১৫৩। কোন ঘর দখল করে পাকিস্তানি সেনারা ক্যাম্প বানিয়েছে?

উত্তর : স্কুলঘর দখল করে ক্যাম্প বানিয়েছে।

প্রশ্ন ১৫৪। ইলিশের গন্ধে কারা চুলাের পাশে বসে থাকত?

উত্তর : ইলিশের গন্ধে বুধার ভাই-বােনেরা চুলাের পাশে বসে থাকত।

প্রশ্ন ১৫৫। কখন থেকে বুধার স্কুল বন্ধ?

উত্তর : বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে বুধার স্কুল বন্ধ।

প্রশ্ন ১৫৬। বুধা কী নিয়ে ক্যাম্পের দিকে যায়?

উত্তর : বুধা পেয়ারা নিয়ে ক্যাম্পের দিকে যায়।

প্রশ্ন ১৫৭। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে বুধা নিজের নাম কী বলে?

উত্তর : পাকিস্তানি সেনাদের কাছে বুধা নিজের নাম বলে কাকতাড়ুয়া।

প্রশ্ন ১৫৮। বুধার মতে কাদের দৃষ্টি প্রাণহীন?

উত্তর : বুধার মতে পাকিস্তানি সেনাদের দৃষ্টি প্রাণহীন।

প্রশ্ন ১৫৯। কারা বুধাকে কাকতাড়ুয়া বানানাের উৎসবে মেতে ওঠে?

উত্তর : তিনজন রাজাকার।

প্রশ্ন ১৬০। হাঁড়ির নিচের কালি কার মুখে লাগানাে হয়?

উত্তর : হাঁড়ির নিচের কালি বুধার মুখে লাগানাে হয়।

প্রশ্ন ১৬১। শাস্তির নতুন ঢঙে কারা মজা পায়?

উত্তর : শাস্তির নতুন ঢঙে পাকিস্তানি সেনারা মজা পায়।

প্রশ্ন ১৬২। কখন পাকিস্তানি সেনারা বুধার বাঁধন খুলে দেয়?

উত্তর : সন্ধ্যার সময় পাকিস্তানি সেনারা বুধার বাধন খুলে দেয়।

প্রশ্ন ১৬৩। বুধা আহাদ মুন্সির ঘর কতবার পােড়ায়? •

উত্তর : বুধা আহাদ মুন্সির ঘর দুবার পােড়ায়।

প্রশ্ন ১৬৪। কাকে একদম ভূতের মতাে লাগছে?

উত্তর : বুধাকে একদম ভূতের মতাে লাগছে।’

প্রশ্ন ১৬৫। সতর্ক না হলে মুক্তিবাহিনী’ কাদেরকে মেরে ফেলবে?

উত্তর : সতর্ক না হলে মুক্তিবাহিনী রাজাকারদের মেরে ফেলবে।

প্রশ্ন ১৬৬। কে গ্রেনেডের পিন খুলতে শেখেনি?

উত্তর : বুধা গ্রেনেডের পিন খুলতে শেখেনি।

প্রশ্ন ১৬৭। কার যুদ্ধ করতে কষ্ট হয় না?

উত্তর : বুধার যুদ্ধ করতে কষ্ট হয় না।

প্রশ্ন ১৬৮। বুধাকে মাইনটা কোথায় রেখে আসতে হবে?

উত্তর : বুধাকে মাইনটা বাঙ্কারের মধ্যে মাটির নিচে রেখে আসতে হবে।

প্রশ্ন ১৬৯। সাবধানে থাকা কিসের কৌশল?

উত্তর : সাবধানে থাকা মুক্তিযুদ্ধের কৌশল।

প্রশ্ন ১৭০। কে বেশি সাহস করেছে বলে শাহাবুদ্দিন ভয় পায়?

উত্তর : বুধা বেশি সাহস করেছে বলে শাহাবুদ্দিন ভয় পায়।

প্রশ্ন ১৭১। কখন শাহাবুদ্দিন বুধার ছবি আঁকবে?

উত্তর : দেশ স্বাধীন হলে শাহাবুদ্দিন বুধার ছবি আঁকবে।

প্রশ্ন ১৭২। বুধাকে ভাত খেতে দেখলে কার কষ্ট কমে যায়?

উত্তর : বুধাকে ভাত খেতে দেখলে মিঠুর মায়ের কষ্ট কমে যায়।

প্রশ্ন ১৭৩। মিঠুর বােন কোথায় থাকে?

উত্তর : মিঠুর বােন শ্বশুরবাড়ি থাকে।

প্রশ্ন ১৭৪। কে বুধার সাথে যুদ্ধ করতে যেতে চায়?

উত্তর : কুন্তি বুধার সাথে যুদ্ধ করতে যেতে চায়।

প্রশ্ন ১৭৫। কার কান্নায় ঘাসফড়িং স্তব্ধ হয়ে যায়?

উত্তর : মিঠুর মায়ের কান্নায় ঘাসফড়িং স্তব্ধ হয়ে যায় ।

প্রশ্ন ১৭৬। বুধাকে দেখে কার দৃষ্টি চকচক করে ওঠে?

উত্তর : বুধাকে দেখে কুন্তির দৃষ্টি চকচক করে ওঠে।

প্রশ্ন ১৭৭। বুধা কী দিয়ে পাকিস্তানি বাঙ্কার ধ্বংস করে?

উত্তর : বুধা মাইন দিয়ে পাকিস্তানি বাঙ্কার ধ্বংস করে।

প্রশ্ন ১৭৮। সৈনিকদের হাতে মারা গেলে বুধা কোথায় যাবে?

উত্তর : সৈনিকদের হাতে মারা গেলে বুধা আকাশে যাবে।

প্রশ্ন ১৭৯। কে কাদলে বুধার খুব কষ্ট হয়?

উত্তর : কুন্তি কাদলে বুধার খুব কষ্ট হয়।

প্রশ্ন ১৮০।  কবরস্থানে গিয়ে বুধা কার কাছে দোয়া চায়?

উত্তর : কবরস্থানে গিয়ে বুধা বাবা-মায়ের কাছে দোয়া চায়।

প্রশ্ন ১৮১। কুন্তি যেন হঠাৎ করে কী হয়ে গেল?

উত্তর : কুন্তি যেন হঠাৎ করে বড় হয়ে গেল।

প্রশ্ন ১৮২। কী করলে মরতে হবে?

উত্তর : যুদ্ধ করলে মরতে হবে।

প্রশ্ন ১৮৩। মাটি কাটার জন্য বুধা কার কাছে আবদার জানায়?

উত্তর : মাটি কাটার জন্য বুধা ফজু মিয়ার কাছে আবদার জানায়।

প্রশ্ন ১৮৪। বুধার কাজের আগ্রহ দেখে কে খুশি হয়?

উত্তর : বুধার কাজের আগ্রহ দেখে মতিউর খুশি হয়।

প্রশ্ন ১৮৫। বাঙ্কারের কাজ কখন শেষ হয়?

উত্তর : বাঙ্কারের কাজ বিকেলের মধ্যে শেষ হয়।

প্রশ্ন ১৮৬। বুধা বাঙ্কারে ঢুকে কী করে?

উত্তর : বুধা বাঙ্কারে ঢুকে কাঁচা মাটি সরিয়ে মাইন পুঁতে রাখে।

প্রশ্ন ১৮৭। বাঙ্কারকে কাদের কবর বলা হয়েছে?

উত্তর : বাঙ্কারকে পাকিস্তানি সেনাদের কবর বলা হয়েছে।

প্রশ্ন ১৮৮। ফজু মিয়ার পা ধরে কে সালাম করে?

উত্তর : ফজু মিয়ার পা ধরে বুধা সালাম করে।

প্রশ্ন ১৮৯। বুধা বাঙ্কার থেকে দৌড়ে কোথায় চলে আসে?

উত্তর : বুধা বাঙ্কার থেকে দৌড়ে নদীর ধারে চলে আসে।

প্রশ্ন ১৯০। পাকিস্তানি সেনারা বাঙ্কারে পজিশন নেওয়ার জন্য ঢুকলে কী হয়?

উত্তর : পাকিস্তানি সেনারা বাঙ্কারে পজিশন নেওয়ার জন্য ঢুকলে মাইন বিস্ফোরিত হয়।

প্রশ্ন ১৯১। কে এক আশ্চর্য বীর কাকতাড়ুয়া?

উত্তর : বুধা এক আশ্চর্য বীর কাকতাড়ুয়া।       

Leave a Comment