কপোতাক্ষ নদ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

কপোতাক্ষ নদ কবিতার সৃজনশীল –

বাংলাদেশের নিজস্ব আকাশ আছে, কিন্তু তা বেড়া দিয়ে বিচ্ছিন্ন করা নয়, বহির্বিশ্বকে তা দূর দূর করে দূরে তাড়ায় না, তার অনুকূল আলােহাওয়াকে অস্পৃশ্য করে পাশে ঠেলে না। এ আকাশ উদার, কিন্তু এর স্বাতন্ত্রে অন্য কারাে হস্তক্ষেপও সে সহ্য করে না। আকাশ, সূর্য, নদী, গাছপালা, পাহাড়, সমুদ্র, পৃথিবীর আর সব দেশের মতাে এখানেও রয়েছে। কিন্তু ঐ সব সর্বজনীন বস্তুপুঞ্জসমৃদ্ধ প্রকৃতি এমন এক বিশেষ গুণে মণ্ডিত, যা একবারে পূর্ব বাংলারই। এ প্রকৃতির বিশিষ্টতা গুণ এ অঞ্চলের অধিবাসীদেরও স্বভাবে ও মানসগঠনে বৈশিষ্ট্য দিয়েছে, যা আমাদের স্বতন্ত্র এক চরিত্র ও মানবিক আদলের উৎস। এখানকার প্রকৃতি ও মানুষ এক অবিচ্ছিন্ন পরিমণ্ডলে সমন্বিত হয়ে একটি স্বকীয় স্বরূপে নির্দিষ্ট, সুস্পষ্ট।

ক. শৈশবে কবি মধুসূদন দত্ত কোন নদের তীরে বড় হয়েছেন?

খ. কপােতাক্ষ নদকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কেন?

গ. উদ্দীপকে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “স্বদেশের প্রতি অনুরাগ প্রকাশের বিচারে উদ্দীপকের মূলভাব এবং কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।” মন্তব্যটি সম্পর্কে তােমার মতামত দাও। 

উত্তর

ক। শৈশবে কবি মধুসূদন দত্ত কপােতাক্ষ নদের তীরে বড় হয়েছেন।

খ। কপােতাক্ষ নদকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করার কারণ- মাতৃদুগ্ধ যেমন শিশুকে বাঁচিয়ে রাখে তেমনি কপােতাক্ষ নদের জলও কবির তৃষ্ণা দূর করেছে, এ নদের দানে ও ঋণে কবি আবদ্ধ এবং এ নদ তার শৈশবকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

শৈশব-কৈশােরের দিনগুলােতে কপােতাক্ষ নদই ছিল কবির আশ্রয়। তৃষ্ণা পেলে এ নদের জলেই কবি স্নেহের তৃষ্ণা মেটাতেন। কপােতাক্ষের জল ছাড়া অন্য কোনাে নদ-নদীর জল কবির স্নেহের তৃষ্ণা মেটাতে পারেনি। এ নদ শুধু একটি জলাধার নয়, কবির শৈশব-কৈশােরের সাথিও। কবি কপােতাক্ষকে তাই মায়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

গ। উদ্দীপকে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার স্বদেশের বৈচিত্র্যময় দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

আপন রূপ-রূস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি চির প্রবহমান। প্রকৃতির সৌন্দর্য কখনাে শেষ হয় না। স্বদেশ প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্য মানুষকে বিমােহিত করে। মানুষ নিজের দেশের বনবনানী, মাঠ-ঘাট, গাছপালা, নদী-নালা, পশু-পাখির রূপবৈচিত্র্য ভুলতে পারে না। কারণ সেসবের সঙ্গে তার আনন্দ-বেদনার নানা স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশের রূপবৈচিত্র্যের কথা বলা হয়েছে। এদেশের উদার আকাশ, সূর্য, নদী, গাছপালা, পাহাড়, সমুদ্র, আর সব দেশের মতাে হলেও সেগুলাে যে বৈচিত্র্যময় ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ তা তুলে ধরা হয়েছে। পূর্ব বাংলার রূপবৈচিত্র্যের সঙ্গে এখানকার মানুষের গভীর সম্পর্ক ও বৈশিষ্ট্যের দিকটিও এতে প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টি ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সৌন্দর্যচেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবি আলােচ্য কবিতায় তার শৈশবের নদটির কথা বলতে গিয়ে বাংলার রূপবৈচিত্র্যকে নির্দেশ করেছেন, যা তাঁর সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। কপােতাক্ষের জলধারা, সবুজ বাংলার বুক চিরে বয়ে চলা উদ্দীপকের রূপবৈচিত্র্যের সঙ্গে অভিন্ন।

ঘ। “স্বদেশের প্রতি অনুরাগ প্রকাশের বিচারে উদ্দীপকের মূলভাব এবং ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।”- মন্তব্যটি সম্পর্কে আমি একমত।

বাংলাদেশের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। এদেশের প্রকৃতির সঙ্গে নদ-নদী অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। ফলে স্বদেশের কথা, মাতৃভূমির কথা বলতে গিয়ে কবি-সাহিত্যিকরা নদ-নদীর প্রসঙ্গ টানেন। সেসবের সঙ্গে তাদের জীবনের সম্পৃক্ততার দিক তুলে ধরেন। তাতে স্বদেশ প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য ধরা পড়ে।

উদ্দীপকে পূর্ব বাংলা তথা বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান উল্লেখ করে এর বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়েছে। এই বিষয়টি ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার কবির প্রিয় কপােতাক্ষ নদের শােভা, এ নদের জলের কুলকুল ধ্বনি, এর বয়ে চলার সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবির ব্যক্তিহৃদয়ের যে আর্তি প্রকাশ পেয়েছে, তার সঙ্গে এর মিল না থাকলেও স্বদেশ প্রকৃতির যে রূপ কবিকে আকৃষ্ট করেছে, তার সঙ্গে উদ্দীপকটির যথেষ্ট মিল রয়েছে। কারণ কবির স্বদেশ এবং উদ্দীপকের পূর্ব বাংলা এক ও অভিন্ন সৌন্দর্যের প্রতীক।

আলােচ্য কবিতায় কবি প্রবাসজীবনে তার শৈশবের নদীটিকে স্মরণ করেছেন। কবি কপােতাক্ষের সঙ্গে তার গভীর বন্ধন ও ভালােবাসার কথা বলেছেন। এতে নদীমাতৃক বাংলাদেশের রূপবৈচিত্র্যের প্রতি কবির মুগ্ধতাও প্রকাশ পেয়েছে। সেই দিক বিবেচনায় উদ্দীপকের বিষয়টি ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সৌন্দর্যচেতনার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা পড়েছে।

 

আরও কপোতাক্ষ নদ কবিতার সৃজনশীল,

 

১. জান না কি জীব তুমি, জননী জন্মভূমি,

সে তােমায় হৃদয়ে রেখেছে।

থাকিয়া মায়ের কোলে, সন্তানে জননী ভেলে,

কে কোথায় এমন দেখেছে।

মিছা মণি মুক্তা হেম, স্বদেশের প্রিয় প্রেম

তার চেয়ে রত্ন নাই আর।

ক. বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তন করেন কে?

খ. ‘স্নেহের তৃষ্ণা’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

ঘ. ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার কবির হৃদয়ের আর্তিই উদ্দীপকে প্রতিধ্বনি হয়েছে আলােচনা কর।

২.  রুপালি নদীরে রূপ দেইখা তাের হইয়াছি পাগল

ও তাের রূপের সােনায় নয়ন কোনায় নামছে রূপের ঢল

বাঁকা গাঁয়ের পথে পথে রুপালি তাের জলের স্রোতে

উজান ভাটির ধারার সাথে রূপ কবে ঝলমল,

তাইতাে তারে দেখলে বাঁচি, না দেখিলে মরি

ত্রিভুবনে তাের মতাে আর না দেখি সুন্দরী।

ক. কপােতাক্ষ নদকে কবি কী বলে সম্বােধন করেছেন?

খ. কপােতাক্ষ নদের জলরাশিকে ‘স্নেহের তৃষ্ণা’ বলার কারণ কী?

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার ভাবগত সাদৃশ্য নির্ণয় কর।

ঘ. উদ্দীপক ও কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার মধ্যে ভাবগত সাদৃশ্য থাকলেও ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার মধ্যেই কবির গভীর দেশপ্রেমের প্রকাশ। ঘটেছে’- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

৩. মেরাজ নামকরা ডাক্তার হওয়ার আশায় চীনে যায়। তার ইচ্ছা ছিল পড়ালেখা শেষ করে বিদেশেই থেকে যাবে। কিছুদিনের মধ্যে সে উপলদ্ধি করতে পারে প্রবাসীদের প্রতি চীনাদের ধারণা ভালাে নয়। তখন থেকে সে দেশের প্রতি প্রগাঢ় ভালােবাসা অনুভব করে। তখন থেকেই সে দিন গুনতে থাকে কবে তার ডাক্তারি পড়া শেষ হবে, কবে তার প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরতে পারবে এবং দেশের মানুষকে সেবা দিতে পারবে।

ক. বহু দেশে কবি কী দেখেছেন?

খ. “কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?” কবির এ প্রশ্ন কেন? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকটি কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সামগ্রিক দিক তুলে ধরে না।”যুক্তি দাও।

৪. সনি ইংল্যান্ড গিয়েছে বার অ্যাট ল’ করতে। সেখান থেকে সে তার মাকে চিঠি  লিখেছে, মা আমার কিছু ভালাে লাগে না। সারাক্ষণ আমার অন্তরজুড়ে আছ তুমি আর আমার স্বজনেরা। আমার চোখজুড়ে বাংলার প্রকৃতি মায়ার অঞ্জন বুলিয়ে যায়। কখনাে দেশ ও তুমি একাকার হয়ে যাও। আমার কিছু ভালাে লাগে না।

ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?

খ. কবি কপােতাক্ষকে দুগ্ধ-স্রোতেরূপী বলেছেন কেন? বুঝিয়ে দাও।

গ. উদ্দীপকের সানি ও মধুসূদনের মধ্যে সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. সানি ও মধুসূদনের ভাবানুভূতির আড়ালে যে মহতী আবেগ কাজ করেছে তার স্বরূপ বিশ্লেষণ কর।

৫. মুছে যাওয়া দিনগুলাে আমায় যে পিছু ডাকে,

স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে।

মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে যায় সেই প্রথম দেখার স্মৃতি

মনে পড়ে যায় সেই হৃদয় দেয়ার তিথি।

ক. সনেটের বাংলা প্রতিশব্দ কী?

খ. জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে। কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?

গ. উদ্দীপকটি কবিতার যে বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর। 

ঘ. উদ্দীপকটি কবিতার সামগ্রিক বক্তব্যের প্রতিনিধিত্ব করে কি? মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

৬.  এস.এস.সি. পরীক্ষায় GPA-5 পাওয়ার পর অনিক ভর্তি হতে যায় শহরে। সে ভর্তি হয় ঢাকার নামি কলেজ নটর ডেম-এ। প্রথম প্রথম শহরের কলেজে ভর্তি হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে। একদিন সে কলেজ থেকে বেড়াতে যায় সদরঘাটে। সেখানে গিয়ে তার হঠাৎ মনে পড়ে শৈশবের নদী ঘাঘটের কথা। এ নদীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার ছােটবেলার নানা স্মৃতি।

ক. ‘মেঘনাদবধ’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?

খ. “আর কি হে হবে দেখা”- বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের অনিকের সঙ্গে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার কবির কোন দিকটির সাদৃশ্য আছে- নির্ণয় কর।

ঘ. উদ্দীপকটি কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার খণ্ডচিত্র।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

৭. হৃদয় আমার বাংলার লাগি

যে দেশেই থাকি সদাধাকে জাগি

স্বর্গ হতেও শ্রেষ্ঠ সে আমার

বাংলা আমার অমিয় ধারা

ক. কপােতাক্ষ নদ’ কবিতায় কোন ছন্দের ব্যবহার হয়েছে?

খ. কপােতাক্ষ নদ’ কবিতায় কয়টি স্তবক আছে—ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার মূলভাবের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর। 

ঘ. দেশপ্রেমই মূল উপজীব্য উদ্দীপক ও তােমার পঠিত সনেটের আলােকে বিশ্লেষণ কর।

৮। (i) নানান দেশের নানান ভাষা

বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা?

কত নদী সরােবর কিবা ফল চাতকীর

ধারা জল বিনে কভু ঘুচে কি তৃষা?

(ii) মােদের গরব মােদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!

তােমার কোলে তােমার বােলে কতই শান্তি ভালােবাসা।

ক. কবি কিসের ছলনায় কান জুড়ান?

খ. ‘বারি-রূপ কর’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপক (i)-এর সাথে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।

ঘ, “উদ্দীপক (i) ও (i) কপােতাক্ষ নদ কবিতার মূল সুর”– যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।

৯। সনেট-> স্তবক বিন্যাস

  -> বিষয়বস্তু

ক. ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কী জাতীয় রচনা?

খ. সইছে যে তব নাম বঙ্গের সংগীতে’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে সনেটের যে গড়ন উল্লিখিত হয়েছে ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার আলােকে এর কার্যকারিতা তুলে ধর।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সনেটের এই গড়ন- সৌষ্ঠব বিষয় উপস্থাপনে কতটুকু যথার্থ বিচার-বিশ্লেষণ কর।

১০। ভাষা মানে শুধু কিছু শব্দ বাক্য নয়। ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি জাতির সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবােধ, জীবনের নানা সম্পর্ক চিন্তা-ভাবনা, ধ্যানধারণা- এককথায় সামগ্রিক সামাজিক অস্তিত্ব। সুতরাং মাতৃভাষা না থাকলে সমাজের মানুষগুলাের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হতাে। আর এ কারণেই বাঙালি জাতি জীবন দিয়ে মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষা করেছে।

ক. ‘বিরলে’ শব্দের অর্থ কী?

খ. চতুর্দশপদী কবিতা কাকে বলে? বুঝিয়ে দাও।

গ. উদ্দীপকটি কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত নিরূপণ কর।

ঘ, “মাতৃভাষা না থাকলে মানুষের সংস্কৃতিচর্চায় ব্যাঘাত ঘটত” ‘কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার আলােকে কথাটা বিশ্লেষণ কর।

১১। শাহনাজ এক বিদেশিকে বিয়ে করে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছে। এখন আমেরিকাই তার প্রিয় দেশ স্বপ্নের দেশ। অথচ বাংলাদেশে থাকতে এর চেয়ে সুন্দর দেশ, বাংলার মতাে সুন্দর ভাষা আর কোথাও নেই এমনই বলত। এখন বাংলাদেশকে নিয়ে তার যেন কোনাে স্মৃতিই নেই- নেই স্মৃতিকাতরতাও।

ক. দুগ্ধ-স্রোতরূপী কে?

খ. লইছে যে তব নাম বঙ্গের সংগীতে’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে কপােতাক্ষ নদ’ কবিতার সম্পর্ক নিরূপণ কর।

ঘ.  “বাংলাদেশকে নিয়ে তার যেন কোনাে স্মৃতিই নেই। নেই স্মৃতিকাতরতাও। ”কপােতাক্ষ নদ’ কবিতা অনুসরণে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর। 

3 thoughts on “কপোতাক্ষ নদ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর”

Leave a Comment